মঙ্গলবার, ২৮ Jul ২০২৬, ০৭:৫৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
ট্রাফিক স্কুলে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচী পালন সবার আগে বাংলাদেশ শীর্ষক টিডিএসে ফ্রি চক্ষু সেবা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত কসবায় ব্যাংকার্স ফোরামের বিদায় বরণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান এবং উপদেষ্টা মন্ডলী গঠন আরএমপিতে ফয়জুল কবিরের নেতৃত্বে জনবান্ধব পুলিশিংয়ের নতুন দিগন্ত দাকোপের বাজুয়ায় আব্দুল মান্নান খানের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল সম্পন্ন কসবায় অবৈধ ড্রেজিংবিরোধী অভিযান, ২টি ড্রেজার ধ্বংস ও ১ লাখ টাকা জরিমানা কসবায় তরুণ মানব সেবা সংগঠনের উদ্যোগে স্বর্ণপদক কুরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ আল্লামা গোলাম হাক্কানী পীর সাহেব (র) আমার শ্রদ্ধাভাজন উস্তাদ কসবায় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নবগঠিত কমিটি শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর,শিক্ষার উন্নয়নে কাজের প্রত্যাশা কসবা ব্যাংক সোসাইটির উদ্যোগে শিক্ষোপকরণ বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ
এবার না হয়, একটু দূর থেকেই হাত জোড় করে চলুক বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময়

এবার না হয়, একটু দূর থেকেই হাত জোড় করে চলুক বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময়

কলকাতা প্রতিনিধি
রাজশ্রী বন্দ্যোপাধ্যায়

রাজশ্রী বন্দ্যোপাধ্যায়
আতঙ্ক, ভয় আর করোনা ৷ এই তিন শব্দকে সঙ্গী করেই, মুখে মাস্ক, হাতে স্যানিটাইজারের বোতল নিয়ে শেষের মুখে বাঙালির সবচেয়ে প্রিয় ও সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপুজো ৷ যেখানে গোটা শহর, গোটা রাজ্য সেজে ওঠে নতুন আলোয় ৷ গোটা শহর, গোটা রাজ্য নতুন ছন্দে চার-দিন যাপন করে, সেই চারদিনের মহা উৎসব যেন এবার ছিল একেবারেই অন্যরকম ৷ আনন্দের মধ্যেও ছিল অনেকটাই সাবধানতা ও ইতস্তত ভাব ৷ যে উৎসব শুঘু মাত্রই দেবীর আরাধনা নয়, মিলন উৎসব সে উৎসবেই এবার মিলনে বাঁধা ৷ একে অপরের মাঝে সামাজিক দুরত্ব ৷ হাতে হাত না দিয়ে চলা, দূরে বসে কথা বলা ৷ আর ভিড়ের মাঝে না হারিয়ে, বরং ‘একলা’ চলা ৷

এরকম পুজো বাঙালি এর আগে আর কখনও দেখেনি ৷ অতিমারী যে উৎসবের রংকে কিছুটা হলেও আতঙ্কের রঙে ভরিয়ে তুলেছিল, তা গত চারদিনে বাঙালি কিছুটা হলেও দেখে ফেলেছে ৷ যে প্যান্ডেল হপিংয়ের জন্য গোটা বিশ্বে বিখ্যাত এই বাংলা ও বাংলার মানুষ, সেই গতিও এবার ধীমি তালে ৷ কোথাও দশ মিটারের দূরত্ব, কোথাও কুড়ি মিটার ৷ প্যান্ডেলের থিম যেন একা একা দাঁড়িয়ে ৷ তবুও বাঙালির এই উৎসব এবারও ‘নিউ নর্মাল পুজো’র নামকরণে, একেবারে নিজের মতো ৷

সেই নিজের মতো করে থাকার আজ শেষ দিন ৷ আজ মহাদশমী ৷ মাকে বিদায় দেওয়ার পালা ৷ নিউ নর্মালেও এবার বিদায়ের সুরও একেবারে অন্যরকম৷ ঢাকের বাদ্যিতে মা থাকবে কতক্ষণ সুর থাকলেও, সঙ্গে প্রার্থনা, মা তুমি পরের বছর আবার এসো, কিন্তু তাঁর আগে এই বিশ্বকে করোনা মুক্ত করে দাও৷

এবার কী তাহলে কোলাকুলি সম্ভব ? কাছে এসে প্রিয়মানুষকে শুভ বিজয়ার শুভেচ্ছা সম্ভব ? নাকি এখানেও সচেতনা? চিকিৎসকরা বলছেন, এবারটা সব নিয়মই না হয় হয়ে যাক নিউ নর্মালের মত ধরে ৷ এবার না হয়, একটু দূর থেকেই হাত জোড় করে চলুক শুভেচ্ছা বিনিময় ৷ সঙ্গে থাকুক সুস্থ থাকার সচেতন প্রার্থনা ৷ তবেই না আসছে বছর আবার হবে !

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




raytahost-demo
© All rights reserved © 2019
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD